জাতীয় শিক্ষার্থী
মূল্যায়নঃ জাতীয় শিক্ষার্থী
মূল্যায়ন হলো জাতীয় শিক্ষাক্রমে বর্ণিত শ্রেণি ও বিষয়ভিত্তিক যোগ্যতা অনুযায়ী নির্দিষ্ট
স্তরের শিক্ষার্থী তার স্তরের অধীত বিষয়ের নির্ধারিত শিখনফলসমূহের কতটুকু অর্জন করতে
পেরেছে তা পরিমাপ করা, শিক্ষার্থীর শিখনে সমস্যাসমুহ চিহ্নিত করা এবং শিক্ষার গুণগত
মান উন্নয়নে শিক্ষকের পেশাগত জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধিসহ পরবর্তীতে কার্যকরী পরিকল্পনা
ও ব্যবস্থাপনা গ্রহণে সহায়তা করা।
জাতীয় শিক্ষার্থী
মূল্যায়নের সনঃ ২০০৬, ২০০৮, ২০১১ ও ২০১৩ সালে জাতীয় শিক্ষার্থী মূল্যায়ন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
জাতীয় শিক্ষার্থী
মূল্যায়নের শ্রেণি ও বিষয়ঃ উপরিউক্ত সনগুলোতে শুধুমাত্র ৩য় ও ৫ম শ্রেণিতে এ মুল্যায়ন
করা হয়েছে। এতে বাংলা ও গণিত বিষয় অন্তর্ভুক্ত ছিল।
জাতীয় শিক্ষার্থী
মূল্যায়নের প্রয়োজনীয়তাঃ
১। জাতীয় শিক্ষাক্রমভুক্ত
নির্দিষ্ট স্তরের নির্ধারিত বিষয়ের শ্রেণি উপযোগী শিখনফল অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের শিখন অর্জন
পরিমাপ করা।
২। শিক্ষার্থীর
শিখন অর্জনে আর্থ-সামাজিক ও পারিবারিক প্রভাব নিরূপন করা।
৩। শিক্ষার্থীর
শিখন অর্জনে সম্পৃক্ত বিদ্যালয়ের সহায়ক উপাদানসমূহ চিহ্নিত করা।
৪। ভাল ফলাফল
অর্জিত বিদ্যালয়ের সাথে সাধারণ বিদ্যালয়ের পার্থক্য সনাক্ত করা।
৫। শিক্ষাক্রমের
উপযোগিতা যাচাইকরণ।
৬। শিক্ষকদের
পাঠদানের সবল ও দুর্বল দিক চিহ্নিত করা।
৭। প্রাথমিক শিক্ষার
গুণগত মান উন্নয়নের জন্য নীতিমালা প্রণয়নের সুপারিশ করা।
জাতীয় শিক্ষার্থী
মূল্যায়নের বৈশিষ্ট্যঃ
১। জাতীয় শিক্ষার্থী
মূল্যায়নে ধরা-বাঁধা কোন নিয়ম নাই। সাধারণত দুই বছর পর পর এর আয়োজন করা হয়।
২। প্রশ্নপত্র
প্রণয়নে শিক্ষাক্রমে বর্ণিত যোগ্যতা ও শিখনফল অনুসরণ করা হয়।
৩। শিক্ষাব্যাবস্থা
ও শিক্ষাক্রমের কার্যকারিতা যাচাই করা হয়।
৪। শিক্ষার্থীকে
স্বতন্ত্রভাবে যাচাইয়ের সুযোগ নেই।
৫। শিক্ষার্থীর
শিখনের সবল ও দুর্বল দিক চিহ্নিত করা যায় এবং সে মোতাবেক ফলাবর্তন প্রদানের সুযোগ থাকে।
৬। শিক্ষার্থীদের
শিখনে বিদ্যালয়ের সহায়ক উপাদানসমূহ ও আর্থ-সামাজিক অবস্থার প্রভাব নিরূপন করা যায়।
৭। শিক্ষা উন্নয়নের
নীতিমালা প্রণয়নে পর্যাপ্ত সহায়ক তথ্য পাওয়া যায়।
জাতীয়
শিক্ষার্থী মূল্যায়ন ২০১৩- এর ফলাফল:
৩য় শ্রেণি
(বাংলা):
১. ৩য় শ্রেণির
শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৩য় শ্রেণির উপযোগী যোগ্যতা অর্জন করেছে শতকরা ৪০ জন।
২. ৩য় শ্রেণির
শিক্ষার্থীদের মধ্যে উচ্চ শ্রেণির (৪র্থ ও ৫ম) উপযোগী যোগ্যতা অর্জন করেছে শতকরা ৩৫
জন।
৩. ৩য় শ্রেণির
শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিচের শ্রেণির (১ম ও ২য়) উপযোগী যোগ্যতা অর্জন করেছে শতকরা ২৫
জন।
৩য় শ্রেণি (গণিত):
১. ৩য় শ্রেণির
শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৩য় শ্রেণির উপযোগী যোগ্যতা অর্জন করেছে শতকরা ৩৩ জন।
২. ৩য় শ্রেণির
শিক্ষার্থীদের মধ্যে উচ্চ শ্রেণির (৪র্থ ও ৫ম) উপযোগী যোগ্যতা অর্জন করেছে শতকরা ২৪
জন।
৩. ৩য় শ্রেণির
শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিচের শ্রেণির (১ম ও ২য়) উপযোগী যোগ্যতা অর্জন করেছে শতকরা ৪৩
জন।
৫ম শ্রেণি
(বাংলা):
১. ৫ম শ্রেণির
শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৫ম শ্রেণির উপযোগী যোগ্যতা অর্জন করেছে শতকরা ২৫ জন।
২. ৫ম শ্রেণির
শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণির উপযোগী শিক্ষার্থী রয়েছে শতকরা ৭২ জন এবং
৩. ২য় শ্রেণির
উপযোগী শিক্ষার্থী রয়েছে শতকরা ৩ জন।
৫ম শ্রেণি
(গণিত):
১. ৫ম শ্রেণির
শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৫ম শ্রেণির উপযোগী যোগ্যতা অর্জন করেছে শতকরা ২৫ জন।
২. ৫ম শ্রেণির
শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণির উপযোগী শিক্ষার্থী রয়েছে শতকরা ৬৪ জন এবং
৩. ১ম ও ২য় শ্রেণির
উপযোগী শিক্ষার্থী রয়েছে শতকরা ১১ জন।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন