শনিবার, ৪ জুন, ২০১৬

Forex ট্রেডিং এ (Stop Loss) SL কেন গুরুত্বপূর্ণ ও (Stop Loss) SL আমাদের কি সুবিধা প্রদান করে ?


১। যে কোন ট্রেড এ একাউন্ট কে জিরো হওয়ার থেকে রক্ষা করে ভবিষ্যৎ ট্রেডের অপার  সম্ভাবনাকে বাঁচিয়ে রাখে ।
২। আপনাকে অযাচিত বেদনা/টেনশন, উচ্চ রক্ত চাপ প্রেসার থেকে দূরে রাখে ।
৩। রাতে দুঃচিন্তামুক্ত ঘুমের নিশ্চয়তা প্রদান করে । শুধু তাই নয় বাহিরে কাজে যাওয়া ,বাথরুমে যাওয়া ,খাওয়া-দাওয়া পরিবার এর দেখাশুনা করা সবকিছুতে সাহায্য করে ।
৪। আপনার বিগ ব্যলেন্স বা ছোট ব্যলেন্স এর একাউন্টকে মাত্র কয়েক মিনিটে অক্সিজেন ছাড়াই বাচিয়ে রাখতে সাহায্য করে ।
৫। আপনাকে হার্ট এটার্ক/স্ট্রোক বা মৃত্যু থেকে রক্ষা করে ।

৬। বারংবার/পুনরায় একাউন্টে ডিপোজিট করা থেকে আপনাকে বিরত রাখে ।
৭। আপনাকে পরবর্তী ট্রেড দেবার জন্য সাহায্য করে ।লস রিকভার করে লাভের পথ সুগম করে ।
৮। আপনার ব্যক্তিগত কাজে বা চরম বিপদে মুলধন থেকে আপনাকে টাকা উত্তোলন করে কাজে লাগাতে সাহায্য করে ।
৯। আপনাকে এই বার্তা প্রতিনিয়ত দিয়ে যাচ্ছে (Stop Loss) SL দিয়েছ বলে তুমি প্রতিনিয়ত লাভ করছ ও প্রতিকুল অবস্থা থেকে মুক্ত থাকছ ।এটাকেই বলে রিস্ক ম্যনেজমেন্ট।
১০। ছোট লট আর এস এল এই দুটিকে পুজি করে রাখ ,একটু অবেহেলায় তুমি শেষ হয়ে যেতে পার । তাই বহুদূর যেতে হলে (Stop Loss) SL ব্যবহার করার অভ্যাস গড়ে তোল ।
একটি ভুল আরেকটি ভুলকে অনুপ্রেরণা যেন না দেয় সেটা  মনে রাখবেন । আবারো বলছি (Stop Loss) দিতে গড়িমসি করবেন না ।

মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০১৫

ফেকআউট

প্রাইস অনেক সময় ট্রেন্ড লাইন ব্রেক করে। কিন্তু সব ব্রেকআউট-ই কিন্তু ব্রেকআউট নয়। অনেক সময় দেখা যায় প্রাইস আবার ফিরে আসে। আসলে সেটি ব্রেকআউট ছিল না। এগুলোকে ফেকআউট বলে।

মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫

প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার পড়াশোনা ২০১৫

এক কথায় প্রকাশঃ
এই দেশ এই মানুষ
সংখ্যায় সবচেয়ে বেশি এমন- সংখ্যাগরিষ্ঠ
সমুদ্রের তীরে বালুময় স্থান- বেলাভুমি
জনবসতি নেই এমন বিস্তীর্ণ স্থান- প্রান্তর
লোকজনের বসতি রয়েছে এমন জায়গা- জনপদ
ফেব্রুয়ারির গান
নদী ও সাগরের ঢেউ- ঊর্মি
সোনালি রঙের বুনো লতা- স্বর্ণলতা
সুন্দরবনের প্রাণী
যা লোপ পেয়েছে- অবলুপ্ত
যার মূল্য নির্ধারণ করা যায় না- অমূল্য
যা প্রয়োগ করা যায়- প্রযোজ্য
শাস্তি পাওয়ার যোগ্য- দণ্ডনীয়
যা করা প্রয়োজন- কর্তব্য
যা নিষেধ করা হয়েছে- নিষিদ্ধ
সংকল্প
এক যুগের পর আরেক যুগ- যুগান্তর
এক দেশ থেকে আরেক দেশ- দেশান্তর
কোনো কিছু সাদরে গ্রহণ- বরণ
মৃত্যুর মতো কঠিন যন্ত্রণা- মরণ-যন্ত্রণা
অচেনা যায়গা- অচিনপুর
হাতি আর শেয়ালের গল্প
নিজে অনেক বড় কেউ এ রকম মনে করা- অহংকার
শক্তি আছে যার- শক্তিধর
বিনীত বা ভদ্র নয় যে- দুর্বিনীত
বসবাসের জায়গা- আস্তানা
প্রতিমুহূর্ত অপেক্ষা করা- উদগ্রীব
এক সঙ্গে শব্দ করা- সমস্বরে
শব্দ দুষণ
পাখির ডাকাডাকির আওয়াজ- কিচির মিচির
বীরের রক্তে প্রতিষ্ঠিত দেশ
রক্ত দিয়ে লাল করা হয়েছে এমন- রক্তরঞ্জিত
যেখানে যুদ্ধ হয়- রণক্ষেত্র
শুয়ে আছে এমন- শয়ান
বই
চোখে দেখতে পায়না এমন- অন্ধ
শখের মৃৎশিল্প
রেখা দিয়ে আঁকা ছবি- নকশা
স্বদেশ
এক ধরনের ছোট্ট সাদা ঝিনুক- কড়ি
যিনি কোনো শিল্পকলার চর্চা করেন- শিল্পী
নানা ধরনের পাখি- পাখপাখালি
কাঁকনমালা আর কাঞ্চনমালা
ঘাড়ের উপর থেকে মাথা- গর্দান
খেতে ভালো লাগে এমন- স্বাদ
খেতে মজা নয় এমন- বিস্বাদ
আবর্জনা ফেলার জায়গা- আঁস্তাকুড়
মমতা আছে যে নারীর- মায়াবতী
হাতে পরার গহনা- কাঁকন
যেখানে রাজার হাতি রাখা হয়- হাতিশাল
রাজার ধন যেখানে থাকে- রাজকোষ
একের সঙ্গে অন্যের- পরস্পর
অবাক জলপান
দেখে ভয় লাগে এ রকম শুকনো চেহারা- রুক্ষমূর্তি
কাঠের তৈরি খাট- খাটিয়া
যে যন্ত্রের সাহায্যে অত্যন্ত ক্ষুদ্র বস্তুকে অনেক বড় দেখায়- অণুবীক্ষণ যন্ত্র
ঘাসফুল
নাই
দেখে এলাম নায়াগ্রা
গল্পগুজব করার আসর- মজলিস
দুই তীরে
এক ধরনের নৌকা- ডিঙি
ভাবুক ছেলেটি
কোনো কিছু খেয়াল করে দেখা- পর্যবেক্ষণ
অত্যন্ত কষ্ট করে যা করতে হয়- দুরূহ
কোনো কিছু জয় করার পর যে স্তম্ভ নির্মাণ করা হয়- বিজয়স্তম্ভ
অনেকের (বহুর) মধ্যে একজন- অন্যতম
প্রার্থনা
যার শেষ নেই- অনন্ত
যার সীমা নেই- অসীম
যে দয়া কামনা করে- করুণাকামী
অন্যের অনিষ্ট কামনা- অভিশাপ
স্মরণীয় যাঁরা চিরদিন
শত্রু দিয়ে বেষ্ঠিত- অবরুদ্ধ
নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন যিনি- আত্মদানকারী
কোনো রকম বিচার বিবেচনা ছাড়া-নির্বিচার
দেশের শত্রু- দেশদ্রোহী
যা হবেই- অবধারিত
বরণ করার যোগ্য- বরেণ্য
মেধা আছে এমন যে জন- মেধাবী
অহংকার নেই যার- নিরহংকার
কোনোভাবেই পূরণ করা যায় না এমন-  অপূরণীয়
ফুটবল খেলোয়াড়
শরীরের কাটা স্থান- ক্ষত
অনেক মানুষের শোরগোল- কোলাহল, গোলমাল
মাটির নিচে যে নগর
অতি পুরাতন যে তত্ত্ব- প্রত্নতত্ত্ব
দুই উঁচু স্থানের মাঝখানের সমতল ভুমি-  উপত্যকা
যেখানে অনেক জন-মানুষ এক সাথে বসবাস করে- জনপদ, লোকালয়
বহুকাল আগের কিছু- প্রাচীন
যাঁরা ইতিহাস লেখেন- ঐতিহাসিক
যা পাওয়া গেছে- প্রাপ্ত
হিমালয়ের শীর্ষে বাংলাদেশের পতাকা
হিমালয় পর্বতের সর্বোচ্চ চূড়া- এভারেস্ট
যাকে লঙ্ঘন বা অতিক্রম করা কঠিন- দুর্লঙ্ঘনীয়
প্রতিজ্ঞা পূরণে যার সঙ্কল্প দৃঢ়- দৃঢ়প্রতিজ্ঞ
সামনের দিকে থাকেন যারা- অগ্রবর্তী
যে অভিযান করে- অভিযাত্রিক
বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত- মাহেন্দ্রক্ষণ
রৌদ্র লেখে জয়
মারাঠা দস্যু- বর্গি
অপেক্ষা
অনেক লোককে বিনা অপরাধে মেরে ফেলা- গণহত্যা
কোনো বিশেষ বিষয়ে শিক্ষা দেওয়া বা নেওয়া- ট্রেনিং, প্রশিক্ষণ
শত্রুর দখল থেকে দেশকে রক্ষা করার জন্য লড়াই করেছিল যে সেনাদল- মুক্তিবাহিনী
যিনি স্বাধীনতা ও মুক্তির জন্য যুদ্ধ করেন- মুক্তিযোদ্ধা
সৈনিক বা যোদ্ধাদের অস্থায়ী ঘাঁটি- ক্যাম্প।

শনিবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০১৫

নিউজ ট্রেড

                                                                            
চলুন আজ আপনাদের সেই বড় বড় অর্থনৈতিক নিউজগুলো দেখাই। আমি শুধু এই কয়েকটাই ট্রেড করি। মনে রাখবেন, এই নিউজগুলো দিয়েই বড় সুইং তৈরী হয়। আমি ৬০০ পিপস পর্যন্ত দেখেছি ৪ দিনে।
১) এনএফপি-১: ইউএসডি। বাংলাদেশ সময় সন্ধা ৬.৩০ মি: প্রতি মাসের প্রথম শুক্রবার। ৬০-২৫০ পিপস।
২) এনএফপি-২: GBP Claimant Count Change এটি প্রতি মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে বাংলাদেশ সময় দুপুর ২.৩০ মি। এটিকে ২য় এনএফপি বলা হয়। ৭০-১২০ পিপস।
৩) এনএফপি-৩: AUD Employment Change এটি প্রতি মাসের ১০ম দিনে বাংলাদেশ সময় সকাল ৭.৩০ মি। এটিকে ৩য় এনএ্ফপি বলা হয়। ৭০-১৫০ পিপস।
৪) ইউএসডি: এফওএমসি। বাংলাদেশ সময় রাত ১২.০০ টায় বছরে ৮ বার। ৬০-৪০০ পিপস।
৫) USD ADP Non-Farm Employment Change। ৫০-১৫০ পিপস।এটি প্রতি মাসের ২য় দিন বাংলাদেশ সময় সন্ধা ৬.১৫মি:।
এটি দ্বারা কৃষি ও সরকারী চাকুরী বাদে অন্য সকল চাকুরীজীবির পরিবর্তনের হার নির্দেশ করে।
৬) AUD Monetary Policy Meeting Minutes ৬০-৪০০ পিপস।
৭) GBP MPC Rate Statement ( এফওএমসি), যে কোন সময় হতে পারে। 7০-4০০ পিপস।
৮) জিপিবি- কন্সট্রাকশন পিএমআই। এটি প্রতি মাসের ২য় দিন বাংলাদেশ সময় বিকাল ২.৩০ মি:। ৩০-৭০ পিপস। এটি নির্মাণ শিল্পে ক্রয় ক্ষমতা নিদের্শ করে।
৯) জিপিবি- সার্ভিস পিএমআই। এটি প্রতি মাসের ৩য় দিন বাংলাদেশ সময় বিকাল ২.৩০ মি:। ৩০-৭০ পিপস। এটি শিল্পের সেবার ক্রয় ক্ষমতা নিদের্শ করে।
১০) আইএসএম মেনুফেকচুইরিং পিএমআই- প্রতি মাসের প্রথম দিন বাংলাদেশ সময় সন্ধা ৬.৩০ মি:।৫০-১৫০পিপস। এটি আমেররিকার এর উৎপাদন শিল্পের জন্য ক্রয় ক্ষমতা নিদেশ করে, এটি একটি দেশের প্রোডাকশন ক্ষমতা বাড়বে না কমবে – তার একটি নিদের্শক হিসেবে কাজ করবে।
১১) ইউরো:- আন-ইমপ্লয়মেন্ট রেট-
প্রতি মাসের ৩০ দিন পর পর বাংলাদেশ সময় বিকাল ৩ টায়। ৪০-১০০ পিপস।
এটি ইউরো এর বেকার সংখ্যার রেট প্রকাশ করে যা জিডিপি এর জন্য খুবই গুরত্বপুর্ন।
১২) এইউডি:- ক্যাশ রেট। এটি প্রতি মাসের প্রথম মঙ্গল বার বাংলাদেশ সময় ১০.৩০ মিনিট। জানুয়ারী মাস ছাড়া। ৩০-১০০ পিপস।
এটি ব্যাংক এর ডিপোজিটের উপর সুদের হার নির্দেশ করে।
১৩) এইউডি- রিটেল সেলস এম/এম। এটি প্রতি মাসের ৩৫তম দিনে বাংলাদেশ সময় দুপুর ২.৩০ মি: ৩০-৭০ পিপস। এটি দিয়ে খুজরা বিক্রেতার মোট মান নিদের্শ করে।
১৪) USD Core Retail Sales m/m
USD Retail Sales m/m
Released monthly, about 14 days after the month ends; বাংলাদেশ সময় ৬.৩০ মি। ৩০-৭০ পিপস।
১৫) ইন্টারেষ্ট রেট। এটি- ইউএসডি, এইউডি, জিবিপি, কানাডা, সুইজ, এনজেডডি, জাপান , সকলের ই আছে।
১৬) জিডিপি। এটি- ইউএসডি, এইউডি, জিবিপি, কানাডা, সুইজ, এনজেডডি, জাপান , সকলের ই আছে।
১৭) ৬:30 USD Core Durable Goods Orders (MoM) – ৫০-১৫০ পিপস। প্রতি মাসের ২৬ তারিখ।বহুত জ্ঞান ও ডিসিপ্লিন ওয়ালা ট্রেডিং প্লান দিলাম। এখন ধর্য্য সহকারে আপনাকে এগুলো ট্রেড করতে হবে। এর বাইরে পিপিআই ও সিপিআই ট্রেড টা আমার পছন্দ না।
বি: দ্র: সবচেয়ে খারাপ ট্রেড হচ্ছে- ইউএসডি এর প্রতি বৃহষ্পতি বার সন্ধা ৬.৩০ মি: ইনিশিয়াল জব ক্লেলেমস। এটা করবেন তো আপনার জীবন ও ক্লেইমফুল হয়ে যাবে।
ভালা থাকেন সবাই।
আজ আমার ট্রেডিং প্লান আপনাদের বলব।এটি শুধু প্রতি মাসের ১ম ও ২য় সপ্তাহের ফান্ডামেন্টাল বিষয়ে। টেকনিকাল বিষয়ে মোটামুটি আমরা সবাই একটু একটু করে জানি কিন্তু ফান্ডামেন্টল এ আমরা সবাই কমবেশি দুর্বল।
মনে রাখবেন। ফরেক্স ট্রেডারদের সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ন সপ্তাহ হল ১ম ও ২য় সপ্তাহ।
জিবিপি- মাসের ১ম দিন।
মেনুফেকচুইরিং পিএমআই – প্রতি মাসের প্রথম দিন বাংলাদেশ সময় দুপুর ২.৩০ মি:। ৩০-৭০ পিপস।
এটি ইংল্যান্ড এর উৎপাদন শিল্পের জন্য ক্রয় ক্ষমতা নিদেশ করে, এটি একটি দেশের প্রোডাকশন ক্ষমতা বাড়বে না কমবে – তার একটি নিদের্শক হিসেবে কাজ করবে।
ইউএসডি-মাসের ১ম দিন।
আইএসএম মেনুফেকচুইরিং পিএমআই- প্রতি মাসের প্রথম দিন বাংলাদেশ সময় সন্ধা ৬.৩০ মি:।৫০-১৫০পিপস। এটি আমেররিকার এর উৎপাদন শিল্পের জন্য ক্রয় ক্ষমতা নিদেশ করে, এটি একটি দেশের প্রোডাকশন ক্ষমতা বাড়বে না কমবে – তার একটি নিদের্শক হিসেবে কাজ করবে।
ইউরো:- আন-ইমপ্লয়মেন্ট রেট-
প্রতি মাসের ৩০ দিন পর পর বাংলাদেশ সময় বিকাল ৩ টায়। ৪০-১০০ পিপস।
এটি ইউরো এর বেকার সংখ্যার রেট প্রকাশ করে যা জিডিপি এর জন্য খুবই গুরত্বপুর্ন।
এইউডি:- ক্যাশ রেট। এটি প্রতি মাসের প্রথম মঙ্গল বার বাংলাদেশ সময় ১০.৩০ মিনিট। জানুয়ারী মাস ছাড়া। ৩০-৬০ পিপস।
এটি ব্যাংক এর ডিপোজিটের উপর সুদের হার নির্দেশ করে।
*** ইউএসডি- এনএফপি। এটি প্রতি মাসের ১ম শৃক্রবার বাংলাদেশ সময় সন্ধা ৬.৩০মি:। ৭০-১৫০ পিপস।
ট্রেডারদের সবচেয়ে পছন্দের নিউজ। এর কথা আশাকরি সবাই জানেন।
জিপিবি- কন্সট্রাকশন পিএমআই। এটি প্রতি মাসের ২য় দিন বাংলাদেশ সময় বিকাল ২.৩০ মি:। ৩০-৭০ পিপস। এটি নির্মাণ শিল্পে ক্রয় ক্ষমতা নিদের্শ করে।
জিপিবি- সার্ভিস পিএমআই। এটি প্রতি মাসের ৩য় দিন বাংলাদেশ সময় বিকাল ২.৩০ মি:। ৩০-৭০ পিপস। এটি শিল্পের সেবার ক্রয় ক্ষমতা নিদের্শ করে।
এইউডি- রিটেল সেলস এম/এম। এটি প্রতি মাসের ৩৫তম দিনে বাংলাদেশ সময় দুপুর ২.৩০ মি: ৩০-৭০ পিপস। এটি দিয়ে খুজরা বিক্রেতার মোট মান নিদের্শ করে।
এইউডি- ট্রেড ব্যালেন্স। এটি প্রতি মাসের ৩৫তম দিনে বাংলাদেশ সময় সকাল ৭.৩০ মি। ৩০-৭০ পিপস। এটি দিয়ে আমদানি ও রপ্তানীর পার্থক্য এর মান নিদের্শ করে।
*** USD ADP Non-Farm Employment Change। ৫০-১৫০ পিপস।এটি প্রতি মাসের ২য় দিন বাংলাদেশ সময় সন্ধা ৬.১৫মি:।
এটি দ্বারা কৃষি ও সরকারী চাকুরী বাদে অন্য সকল চাকুরীজীবির পরিবর্তনের হার নির্দেশ করে।
USD Unemployment Claims এটি প্রতি সপ্তাহের ৫ দিনে বাংলাদেশ সময় ৬.৩০ মি। ৩০-৭০ পিপস। এটি দ্বারা বেকারদের চাকুরীর জন্য ক্লেইমস এর হার বুঝায়।
*** GBP Claimant Count Change এটি প্রতি মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে বাংলাদেশ সময় দুপুর ২.৩০ মি। এটিকে ২য় এনএফপি বলা হয়। ৭০-১২০ পিপস।
*** AUD Employment Change এটি প্রতি মাসের ১০ম দিনে বাংলাদেশ সময় সকাল ৭.৩০ মি। এটিকে ৩য় এনএ্ফপি বলা হয়। ৭০-১৫০ পিপস।
USD Core Retail Sales m/m
USD Retail Sales m/m
Released monthly, about 14 days after the month ends; বাংলাদেশ সময় ৬.৩০ মি। ৩০-৭০ পিপস।

শুক্রবার, ২ জানুয়ারি, ২০১৫

ধাঁধা ধরি আর মজা করি

১. আঁধার ঘরে বাঁদর নাচে 
না না করলে আরো নাচে।
উত্তরঃ জিহবা।

২. কোন ঘাটে পানি নাই?
উত্তরঃ জামার ঘাটে। জামায়    বোতাম ঢোকানোর জন্য যে ফুটো থাকে তাকে ঘাট বলে।

৩. কোন বিলে মাছ নাই?
উত্তরঃ টেবিলে। 
৪. ঘর আছে দুয়ার নাই।
মানুষ আছে কথা নাই।
কি হবে বলো তো ভাই ?

উত্তরঃ কবর।
৫. জ্বলে চলে না ছঁয় (স্পর্শ করে) পানি।
  কি জিনিস তা আমরা কি জানি?
 ঊত্তরঃ জোনাকি পোকা।

* খায়না দায়না পেটে ভরা লাদি
গাছে উঠে বসে থাকে পান্নার দাদী।
উত্তরঃ পেঁপে।

৬. ঠেলে ঠুলে ভরে দিলাম,
রক্ত বের করে ছেড়ে দিলাম।
উত্তরঃ পান।
৭. ঠেইলি বার করে
গুতি লাল করে।

উত্তরঃ দিয়াশলাইয়ের কাঠি।

৮. তিন অক্ষরের নাম যার বাংলাদেশে নাই
মাঝের অক্ষর কেটে দিলে মানুষে খায়।

উত্তরঃ ভারত, ভাত।
 
৯. দুই দুয়ারে ভুলকি পাড়ে
ধইরি এক আছাড় মারে।

 উত্তরঃ নাকের পুটা।

১০. দুই ভাইয়ের পিঠ টান
নাকে বসে ধরে কান।

উত্তরঃ চশমা।

১১. হাই আল্লাহ করনু কি
বোটা নাইতে ধরব কি।

উত্তরঃ ডিম।

১২. ভারতের মধ্যে আছে
কোন সে প্রদেশ?
পেট তার কেটে দিলে
খেতে লাগে বেশ।

উত্তর : আসাম, আম।

১৩. ভাষা আছে, কথা আছে
সাড়া শব্দ নাই।
প্রাণীর কাছেতে আছে
তবু নিজের প্রাণ নেই।

উত্তর : বই।

১৪.  মেঘের ডাকে পানি ছেড়ে ডাঙ্গায় উঠে পড়ে
মানুষ তারে মাঠে পেলে নিয়ে যায় ঘরে।

উত্তর : কৈ মাছ।

১৫.  ভিতরে আমার সুষম খাদ্য
বাইরে আবর্জনা
আমায় নিয়ে কাড়াকাড়ি করে
কতো রসিকজনা

উত্তর : নারিকেল।

১৬. রোজ রোজ বলে দিই
গোলাপ ফুলের ইংরেজি কি?

উত্তরঃ রোজ(Rose)।

১৭. লাল মিয়া হাটে যায়
মার খাইতে খাইতে জীবন যায়।

উত্তরঃ মাটির হাড়ি।

১৮. শুইতে হলে দিতে হয়।
না দিলেই লাগে বড় ভয়।

উত্তরঃ দরজার খিল।

১৯. হাফ সার্কেল ফুল সার্কেল হাফ সার্কেল এ
 হাফ সার্কেল ফুল সার্কেল রাইট এঙ্গেল এ।
 জিনিসটা কি বলত ভাই ?

 Half circle full circle half circle A
 Half circle full circle right angle A.
 জিনিসটা কি বলত ভাই ?

উত্তরঃ কোকাকোলা ( COCA COLA )।
ব্যাখ্যাঃ
 Half circle = C
 full circle = O
 half circle = C
 A = A
 Half circle = C
 full circle = O
 right angle = L
 A = A

রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০১৪

সিলেট, মৌলভী বাজার, গাজিপুর, ময়মনসিংহ, শের পুর ভ্রমন

ভ্রমন/পিকনিকের চাদাঁর পরিমানঃ ৩৮০০.০০ টাকা
২১.১২.২০১৪ ( রবি বার )|| যাত্রা শুরু  সন্ধ্যা ৭ঃ০০ টা
২২.১২.২০১৪ ( সোম বার )|| জাফলং ( জিরো পয়েন্ট, পুঞ্জি ঝর্ণা, সংগ্রাম পুঞ্জি,পান গাছ সংযুক্ত সুপারি গাছের বাগান, আনারসের গাছ, নকশিয়ার পুঞ্জি, জমিদার বাড়ি, ঘন্টা, চা বাগান, রাজরাণী হোটেলে রাত্রী যাপন )
২৩.১২.২১০৪ ( মঙ্গল বার )||  রাতারগুল (সোয়াম্প ফরেস্ট), মালনি ছড়া চা বাগান, শাহ জালাল (রঃ) এর মাজার, শাহ পরাণ (রঃ) এর মাজার, রাজরাণী হোটেলে রাত্রী যাপন,
২৪.১২.২০১৪ ( বুধ বার )|| মৌলভী বাজার ( মাধবকুন্ড ইকো পার্ক,  শ্রী শ্রী মাধবেশ্বর মহাদেবের মন্দির, মাধবকুন্ড ঝর্ণা, খাসিয়া উপজাতি ),  চা কন্যা (TEA GIRL), সাতগাঁও চা বাগান (SATHGAO TEA ESTATE),
২৫.১২.২০১৪ ( বৃহঃ বার )|| বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারী পার্ক, গাজীপুর; মোমেনশাহী সেনানিবাস, নিরালা রেস্ট হাউস এ রাত্রী যাপন
২৬.১২.২০১৪ ( শুক্র বার )|| শের পুর ( মধু টিলা ইকো পার্ক/ MODHU TILA ECO PARK, রাবার বাগান, গারো উপজাতি ), বাড়ি ফিরলাম রাত ১১ঃ৩০ টায়।

দুষ্টামী করা আর গান গাওয়াঃ
আইলো দারুন ফাগুন রে লাগলো মনে আগুন রে
একা একা ভালো লাগে না
ও ও একা একা ভালো লাগে না।

বসন্তের ফুলের মেলায় ভ্রমর করে খেলা
আর তাইনা আমার মনে ধরে বড় জ্বালারে
একা একা ভালো লাগে না
ও ও একা একা ভালো লাগে না।
 আরও দুষ্টামিঃ
১. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারী পার্ক, গাজীপুর এর ডিম কর্ণারে একটা মোরগ ১০ টি ডিম তা দিচ্ছিল। মোরগটি ছিলো সৈরাচারী। সে চাচ্ছিল ১০ টি ডিমের বাচ্ছাই মোরগ হবে। তারপর সে একটা কমিটি গঠন করবে এবং সে ওই কমিটির সভাপতি হবে।......................... হা হা হা । হা হা হা। হা হা হা ।
২. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারী পার্ক, গাজীপুর এর প্রজাপতি কর্ণারে.............(চলবে)
খাওয়াঃ
সকালেঃ পাউরুটি ও কলা দিয়ে নাস্তা
দুপুরেঃ খাসির মাংশ ও সবজিসহ ভাত
রাতেঃ ইলিস মাছ ও সবজিসহ ভাত।

সাব-টিমের সদস্যেদের নামঃ
১. হাবীব ( সাব-টিম লিডার )
২. শামীম ১ ( ওয়াল্টন শামীম )
৩. শামীম ২ ( লম্বু শামীম )
৪. ফিরোজ (  সাব-টিম অর্থ মন্ত্রী )

ভ্রমনের সর্বমোট খরচঃ ৬৩০০.০০ টাকা।

হঠাৎ একটা চিঠি পেলাম। চিঠিতে লেখা ছিল নিম্নরূপঃ
 এতদ্বারা হোসেনাবাদ পিকনিক পার্টির সকল সদস্যবৃন্দকে জানানো যাচ্ছে যে, আগামী ২১/১২/২০১৪ ইং তারিখে সিলেট, গাজীপুর, ময়মনসিংহ ও শেরপুর ভ্রমনের জন্য রইল আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
সকল সদস্যের অবগতির জন্য ভ্রমনের নির্দেশাবলীঃ
১. নির্ধারিত চাঁদার পরিমাণ ৩৮০০/= ( তিন হাজার আটশত টাকা মাত্র )।
২. বাচ্চাদের চাঁদার পরিমাণ ১০০০/= ( এক হাজার টাকা মাত্র )
৩. সকল সদস্যবৃন্দকে কমিটির কর্তৃপক্ষের নির্দেশ মেনে চলতে হবে।
৪. সকল সদস্যকে আই ডি কার্ড, প্লেট, গ্লাস, পানির বোতল ও নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সঙ্গে নিতে হবে।
৫. সকল সদস্যের আসন কমিটি কর্তৃক নির্ধারিত হবে। 
৬. কোনো সদস্যের দূর্নীতি বুঝতে পারলে তাকে পিকনিক হতে সঙ্গে সঙ্গে বহিস্কার করা হবে।
৭. সকালের নাস্তা নিজ খরচে খেতে হবে।
৮. রান্নার সময় সকল সদস্য নিজ দায়িত্বে বাবুর্চীকে সহযোগীতা করবে।
৯. কোনো সময় আবহাওয়া জনিত কারণে বা অন্য কোনো কারণে রান্নার সমস্যা হলে নিজ খরচে হোটেলে খেতে হবে।
১০. কোনো পার্কের খরচ কমিটি বহন করবে না। 
১১. নামাজের সময় হলে সকল সদস্যবৃন্দকে নামাজ আদায় করতে হবে।

যোগাযোগের ঠিকানাঃ অমিত গার্মেন্টস, প্রোঃ মোঃ আব্দুল হামিদ, হোসেনাবাদ বাজার, দৌলতপুর, কুষ্টিয়া। মোবাইলঃ ০১৭৪৫৪৫৩৩২৫
শুভেচ্ছান্তেঃ সভাপতি, ডাঃ মোঃ আব্দুল কুদ্দুস, সুরাতন হোমিও হল, হোসেনাবাদ বাজার, দৌলতপুর, কুষ্টিয়া। মোবাইলঃ ০১৭১৪৯৪৮৩৯৭

চিঠিটা পাওয়ার পর সিদ্ধান্ত স্থির করলাম পিকনিকে যাব। তাই চাঁদাটা দিয়ে দিলাম।
পিকনিকে যাওয়ার আগে প্রস্তুতিস্বরূপ যা যা নিলামঃ
১. ব্যাগ ১ টি
২. গোসলের জন্য মিনি শ্যাম্পু ৬ পিচ
৩. নামাজের জন্য টুপি ১ টি
৪. মাপলার ১ টি
৫. মুখে মাখা ক্রীম ১ কৌটা
৬. রেজার ১ টি
৭. ব্লেড ১ পিচ
৮. টুথ ব্রাশ ১ টি
৯. টুথ পেস্ট ১ টিউব
১০. চ্যাপিস্টিক ১ টি
১১. ছোট চিরুনি ১ টি
১২. ছোট আয়না ১ টি
১৩. গেঞ্জি ২ টি
১৪. শার্ট ৩ টি
১৫. সোয়েটার ১ টি
১৬. চাদর ১ টি
১৭. জাঞ্জিয়া ২ টি
১৮. প্যান্ট ৩ টি
১৯. কোমর বেল্ট ১ টি
২০. লুঙ্গি ১ টি
২১. মোজা ১ জোড়া
২২. জুতা ১ জোড়া
২৩. মোবাইল ফোন ১ টি
২৪. মেমোরি কার্ড ৪ জি পি ১ টি
২৫. নগদ অর্থ ৩০০০/=
২৬. কলম ১ টি
২৭. ডায়েরি ১ টি
২৮. হাত ঘড়ি ১ টি
২৯. রুমাল ১ টি
৩০. তোয়ালে ১ টি
৩১. বিস্কুট ২ প্যাকেট
পিকনিকের বিস্তারিত বিবরণঃ
২১.১২.২০১৪ ( রবি বার )|| যাত্রা শুরু করলাম  সন্ধ্যা ৭ঃ০০ টায়। কিছু সময় পর আমাদের গাড়ি ভেড়ামারা ( কুষ্টিয়া জেলার একটি উপাজেলা শহর ) গিয়ে পৌঁছল। হঠাৎ কে যেন বলল রান্না করার চুলাটা নিয়ে আসা হয়নি। গাড়ি থামানো হলো। সভাপতি সাহেব সিদ্ধান্ত নিল; যেহেতু আমরা ১৫ কিলোমিটারেরও অধিক দুরুত্ব চলে এসেছি, তাই আমাদের আর পেছনে গিয়ে চুলা আনার দরকার নাই। ইট দিয়ে চুলা তৈরি করে নিলেই চলবে। আবার যাত্রা শুরু হলো। ঘন্টা দুইয়েক পর আমাদের গাড়ি সিরাজগঞ্জ জেলার হাইওয়ের পাশের হোটেল গুলোর সামনে পৌঁছল। সভাপতি সাহেব জানালো, আপনাদের কারও খাওয়ার দরকার হলে এই হোটেলগুলোতে খেয়ে নিতে পারেন। সময় মাত্র ২০ মিনিট। যে যা পারল ঐ সময়ের মধ্যে খেয়ে নিলো। গাড়ি আবার চলা শুরু করলো। পরবর্তী দিন ঠিক সকাল ৭ঃ৩০ টার সময় আমাদের গাড়ি সিলেট জেলার জাফলং গিয়ে পৌঁছল।

২২.১২.২০১৪ ( সোম বার )|| জাফলং পৌঁছানোর পর রান্না বান্নার লোকজন গাড়ি থেকে রান্না করার জিনিসপত্র নামাতে লাগলো। আমরা এখন কি করব এ ব্যাপারে কোনরূপ দিকনির্দেশনা কেউ দিলো না। তাই আমি নিজে থেকে সভাপতিকে জিজ্ঞাসা করে নিলাম এখানে দেখার মতো কি কি আছে। সভাপতি সাহেব আঙুল তুলে আমাকে কিছু দিক নির্দেশনা দিল। সিদ্ধান্ত নিলাম সে অনুযায়ী বেড়াবো। কিন্তু তার আগে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেওয়া দরকার। পিকনিক কর্ণারের পায়খানায় ১০.০০ টাকা দিয়ে পায়খানা করার কাজটা সেরে নিলাম। অবশ্য প্রসাব করার ভিসিট এখানে ৫.০০ টাকা।
এরপর শুরু হলো ঘোরার পালা। প্রথমে আমরা প্রতিজন ২০.০০ টাকা হিসেবে নৌকা ভাড়া করে জিরো পয়েন্ট এ গিয়ে পৌঁছলাম। দেখলাম সেখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। পায়ের নিচে ছোট বড় রঙ বেরঙ্গের পাথর। পাথরের উপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে স্বচ্ছ জলধারা। এ জলধারাতে পা ডুবাতে যে কি মজা লাগছে তা কেউ সেখানে না গেলে তাকে বোঝানো মুশকিল। অদূরে দেখা যাচ্ছে ভারতের পুঞ্জিঝর্না,  ঝুলন্ত ব্রীজ ও মেঘালয় রাজ্যের পাহাড় সমূহ। পুঞ্জিঝর্নাতে জলধারা প্রবাহিত হচ্ছিলো না। জানতে পারলাম ভরা বর্ষায় পুঞ্জিঝর্না থেকে জলধারা প্রবাহিত হয়। শুরু হলো সেলফি ও ছবি তোলার পালা। ছবি তোলা শেষে আমরা সেখান থেকে বালির উপর দিয়ে হেঁটে খাসিয়া রাজবাড়ির দিকে চললাম। বালি থেকে উঠে সরু পিচ রাস্তা হয়ে আমরা পান-সুপারি গাছের বাগানের মধ্যে দিয়ে যাওয়া শুরু করলাম। মাঝে মাঝে আমরা ছবিও তুললাম। বাগানের মাঝে আমরা সুপারি গাছ সংলগ্ন পান গাছ দেখলাম। তার মাঝে আমরা দু'একটি আনারস গাছ ও দেখতে পেলাম। হাঁটতে হাঁটতে আমরা প্রথমে যে গ্রামটিতে পৌঁছলাম সে গ্রামটির নাম ছিল সংগ্রাম পুঞ্জি। সে গ্রামে বসবাসরত খাসিয়াদের দেখলাম। সাথে সাথে তাদের বাড়িঘর ও দেখলাম। খাসিয়াদের অনুমতি নিয়ে আমরা কিছু ছবি ও তুললাম। গ্রামটির মাঝে রাস্তার মোড়ে কয়েকটি দোকান ও দেখলাম। যেখানে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র পাওয়া যায়। আবার হাঁটা শুরু করলাম। পথিমধ্যে রাস্তার বামপাশে একটি গীর্জা দেখতে পেলাম। হেঁটেই চললাম। উদ্দেশ্য খাসিয়া রাজবাড়ি দেখা। হাঁটতে হাঁটতে এক সময় আমরা পৌঁছে গেলাম নকশিয়ার পুঞ্জি গ্রামের খাসিয়া রাজবাড়ি। এ রাজবাড়ি আসলে রাজা-বাদশাদের রাজবাড়ির মত নয়। তাদের ঐতিহ্যবাহী এক রকমের বাড়ি। দোতলা বাড়ির মতো। নিচতলা অবশ্য ফাঁকা। নিচতলায় শুধু কংক্রিটের পিলার। দ্বিতীয় তলার উপর টিনের ছাউনি। অদুরেই দেখতে পেলাম তাদের ঐতিহ্যবাহী ঘন্টা। 

(চলবে)


 চা বাগান, রাজরাণী হোটেলে রাত্রী যাপন )
যেসব বিষয়গুলো খারাপ লেগেছিলঃ
১. পিকনিক স্পটে পৌঁছার পর কমিটি কর্তৃপক্ষ দর্শনীয় বিষয় সম্পর্কে কোনোরূপ দিক নির্দেশনা প্রদান করেনি।
২. এক আলেয়া মাদ্রাসার শিক্ষক কর্তৃক আমার আসন ছিনতাই হয়েছিল। তার আচরণ ছিলো রূক্ষ। এটা আমি কোনোদিন ভুলতে পারব না।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারী পার্ক, গাজীপুর এর গেইট প্রবেশ মূল্য ৫০/=

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারী পার্ক, গাজীপুর এর বাসে ভ্রমন মূল্য ১০০/=

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারী পার্ক, গাজীপুর এর ন্যাচার হিস্ট্রি মিউজিয়ামে প্রবেশ মুল্য ১০/=
পিকনিকের বিস্তারিত বিবরণ ধীরে ধীরে লেখা হবে।কেবল খসড়া চলছে।







শনিবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০১৪

ব্যালেন্স, ইকুইটি, মার্জিন, ফ্রি মার্জিন, মার্জিন লেভেল

ব্যালেন্স, ইকুইটি, মার্জিন, ফ্রি মার্জিন, মার্জিন লেভেলঃ
ব্যালেন্সঃ ফরেক্স ট্রেডিং এ ব্যালেন্স বলতে আমরা বুঝি যত ডলার ব্যাবসার জন্য বিনিয়োগ করা হয়েছে এবং তার পরে ট্রেড ক্লোজ করে যত লাভ বা লোকসান করা হয়েছে তার যোগ বা বিয়োগ ফল। যেমন আপনি ১০০০ ডলার বিনিয়োগ করেছেন এবং পরে ট্রেড ক্লোজ করে আরও ১০০ ডলার লাভ করেছেন, অতএব আপনার ব্যালেন্স হবে (১০০০+১০০)=১১০০ ডলার। আবার রহিম ১০০০ ডলার বিনিয়োগ করেছে এবং ট্রেড করে ১০০ ডলার লস করেছে অতএব রহিমের বর্তমান ব্যালেন্স হবে ৯০০ ডলার। এ ক্ষেত্রে উল্লেখ্য যে,ট্রেড এখনও ক্লোজ করা হয় নি তাতে লাভ বা লোকসান যাই থাকুক না কেন তার সাথে বালেন্সের কোন সম্পর্ক নেই। যেমন মাইকেল ১০০০ ডলার বিনিয়োগ করে ট্রেড ক্লোজ করে ১০০ ডলার লোকসান করেছে এবং এখনও ট্রেড ক্লোজ করেনি এমন ট্রেডে ৫০০ ডলার লাভ আছে, এই ক্ষেত্রে ট্রেড ক্লোজ করে ১০০ ডলার লোকসান করেছে এইটাই হিসাবে যুক্ত হবে,কিন্তু ট্রেড ক্লোজ করেনি তাতে ৫০০ ডলার লাভ দেখালেও ব্যালেন্স যোগ হবে না।তাতে ফলাফল দেখাবে ব্যালেন্স ৯০০ ডলার। যখন ৫০০ ডলারের লাভের ট্রেডটি ক্লোজ করা হবে তখনি সেটা বালেন্সের সাথে যুক্ত হবে।
উইন্ডোজের নিচে টার্মিনালের বামে ব্যালেন্স লেখা থাকে,সেখান থেকে ব্যালেন্সের পরিমাণ জানা যায়। টার্মিনাল পাওয়া যায় ভিউ মেনু> টার্মিনাল অথবা কন্ট্রোল+টি চেপে।
ইকুইটিঃ ব্যালেন্সের সাথে বর্তমান চলমান ট্রেডিং এর ফলাফল অর্থাৎ লাভ বা লোকসান যা আছে তার সমন্বিত ফলকে ইকুইটি বলা হয়। যথা একটি একাউন্টে ব্যালেন্স আছে ১০০০ ডলার এবং যে ট্রেড দেওয়া আছে তার সমষ্টিগত যোগফল -১০০,অর্থাৎ এই অবস্থাই সকল ট্রেড ক্লোজ করলে ১০০ ডলার লোকসান হয়,এ অবস্থাই ইকুইটি দেখাবে ৯০০ দলার।আবার জসিমের একটি একাউন্টে ব্যালেন্স আছে ১৪০০ ডলার এবং তার যতগুলি ট্রেড আছে তার সমষ্টি গত যোগফল ২০০ ডলার। অতএব ইকুইটি হবে ১৬০০ ডলার। একাউন্ট টিকিয়ে রাখতে ইকুইটি একটি বড় ভুমিকা পালন করে।তাই ব্যালেন্স থেকেও ইকুইটির দিকে বেশী গুরুত্ব দিতে হবে। উদাহরণ হিসাবে ধরে নিই,আপনার একাউন্ট ব্যালেন্স আছে ১০০০ ডলার কিন্তু ইকুইটি আছে ১০০ ডলার, অতএব আমি ধরে নেব বর্তমানে আপনার একাউন্টের ফলাফল ১০০ ডলার আপনার আছে।কিন্তু আপনার বন্ধুর একাউন্টে ব্যালেন্স আছে ৫০০ ডলার এবং তার ইকুইটি আছে ৬০০ ডলার। সেই ক্ষেত্রে আপনার একাউন্ট থেকে আপনার বন্ধুর একাউন্টের অবস্থা ভাল বলে বিবেচিত হবে। কারণ, ব্যালেন্স বেশী থাকার থেকে ইকুইটি বেশী থাকাই বেশী জরুরী এবং বেশী কাম্য।
মার্জিনঃ বর্তমানে যতগুলি ট্রেড দেওয়া আছে তার জন্য যত ডলার বিনিয়োগ করা হয়েছে তার পরিমাণই হল মার্জিন। এখানে একটু বিশদ আলচোনার প্রয়োজন- ধরি, পলাশ EUR/USD তে একটি বাই ট্রেড দিল।এর অর্থ দাড়ায়-পলাশ ইউরো বাই করল ইউএসডি ডলারের বিনিময়ে।অর্থাৎ,ইউরো বাই করলো এবং ইউ.এস.ডি সেল করলো।যে ট্রেড করা হয় তা প্রথমটির (বেস কারেন্সি) ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয় এবং পরের কারেন্সি (কোট কারেন্সি) ক্ষেত্রে তার উল্টো হবে। প্রথমটি বাই অর্থ দ্বিতীয়টি সেল, তদ্রুপ প্রথমটি সেল অর্থ দ্বিতীয়টি বাই। EUR/USD = ১.৩৮৪১ এর অর্থ দাড়ায় ১ ইউরো-র বিনিময়ে ইউনাইটেড স্টেট ডলার প্রয়োজন হয় ১.৩৮৪১।
আমরা যখন ১ ভলিউম দিয়ে ট্রেড দেয়, এই ভলিউম বিষয়টি কী?
আমরা শেয়ার বাজারে যেমন শেয়ার কেনার সময় লট হিসেব করি, অর্থাৎ কতটি শেয়ার একটি লট তার হিসেব করি। ভলিউম বলতে এক লটে কতটি মুদ্রা ক্রয় বা বিক্রয় হবে তার পরিমাণকে বুঝায়। এক ভলিউম অর্থ ১,০০,০০০ (এক লক্ষ)ইউনিট। কিন্তু এখানে লক্ষণীয় যে, ইউরো/ইউ.এস.ডি তে ১.৩৮৪১ মূল্যে ১ ভলিউম ট্রেড দিলে ডলারের প্রয়োজন হয় = ১.৩৮৪১* ১০০০০০ = ১৩৮৪১০ ডলার। কিন্তু আমাদের একাউন্টে এত ডলার না থাকলেও ১ ভলিউম ট্ট্রেড দিতে পারি কেন?
আমরা যখন একাউন্ট খুলি তখন লেভারেজ বলে একটি বিষয় নির্বাচন করতে হয়। লেভারেজ = ১:১০০, ১: ৫০০, ১:১০০০ ইত্যাদির যে কোন একটি লেভারেজ নির্বাচন করতে হয়। এর অর্থ একাউন্ট হোল্ডার ১ ডলারের ট্রেড দিলে তার সাথে ব্রোকার প্রতিষ্ঠান উক্ত ১০০ গুন/ ৫০০গুন/ ১০০০গুন ডলার বিনিয়োগ করবে। অর্থাৎ আপনার লেভারেজ যদি ১:১০০০ হয় তবে আপনি যত ডলারের ট্রেড করবেন তার ১০০০ গুন ডলার ব্রোকার কোম্পানি লোন হিসেবে আপনাকে দিবে। তাই ১.৩৮৪১ মূল্যে ১ ভলিউম ট্রেড দিলে আপনার নিজস্ব ডলার লাগবে (১.৩৮৪১*১০০০০০)/১০০০= ১৩৮ ডলার।
ফ্রি মার্জিনঃ ইকুইটি থেকে মার্জিন বাদ দিলে যে পরিমাণ থাকে তাকে ফ্রি মার্জিন বলে। ফ্রি মার্জিন অর্থ হল আপনি আর কত ডলার বিনিয়োগ করতে পারবেন।
মার্জিন লেভেলঃ ইকুইটিকে মার্জিন দ্বারা ভাগ করে ১০০ দ্বারা গুন করলে মার্জিন লেভেল পাওয়া যায়। মার্জিন লেভেল ৩৫% এর কম হলে একাউন্ট স্বাভাবিক ভাবেই বন্ধ হয়ে যায়। তাই মার্জিন লেভেল সর্বদা গুরুত্তের সাথে বাড়িয়ে রাখা দরকার। এখানে লক্ষণীয় যে, মার্জিন লেভেল বাড়াতে হলে ইকুইটি বাড়াতে হবে অথবা মার্জিন কমাতে হবে।
Balance = Total investment+ Realized Profit or Loss (What had taken). (i)
Equity= Balance+ Unrealized Profit or Loss of current all Trades. (ii)
Margin = Investment of Present all Trades, (iii)
Free Margin= Equity – Margin (iv)
Margin level= Equity/Margin* 100 (v)
Margin level <35% (ব্রোকার ভেদে আলাদা হতে পারে) হলে ইকুইটি কমে শূন্য বা তার কাছাকাছি হয়ে যায়, তখন ট্রেড বন্ধ হয়ে যায়।
উপরোক্ত ৫ নং সুত্র থেকে পাই, মার্জিন লেভেল=ইকুইটি ভাগ মার্জিন। অর্থাৎ ইকুইটি বাড়লে, মার্জিন- লেভেল ইকুইটি বৃদ্ধির আনুপাতিক হারে বাড়ে এবং মার্জিন বাড়লে মার্জিন- লেভেল মার্জিন লেভেল মার্জিন লেভেল বৃদ্ধির বিপরীত অনুপাতে কমে। এতে বুঝা যায় যে,
(ক) ইকুইটি কমে গেলে মার্জিন লেভেল কমে যায় এবং
(খ) মার্জিন বেড়ে গেলে (অর্থাৎ ট্রেড এর পরিমাণ বেড়ে গেলে) মার্জিন লেভেল কমে যায়।
এর থেকে আমরা সিদ্ধান্ত নিতে পারি যে, একাউন্ট টিকিয়ে রাখতে বা মার্জিন লেভেল ঠিক রাখতে,
১। ইকুইটি বাড়ানোর চেষ্টা করতে হবে এবং
২। মার্জিন বাড়ানো যাবে না, অর্থাৎ একসাথে ট্রেড এর সংখ্যা ও ভলিউম বাড়ানো যাবে না।
বিঃদ্রঃ ফরেক্স ট্রেড এ লাভ করার একমাত্র উপায় হল মানি ম্যানেজমেন্ট। মানি ম্যানেজমেন্ট ঠিকমতো করতে পারলে ফরেক্স ট্রেড এ লোকসান করাটা কঠিন এবং লাভ করাটা সহজ।
কখন একাউন্ট স্বাভাবিক (অটো) ভাবেই বন্ধ হয়ে যায়ঃ
এখন এতদ্রা সংক্রান্ত একটি বিষয় আলোচনার বিশেষ প্রয়োজন যে, একটি একাউন্ট কখন স্বাভাবিক ভাবে বন্ধ হয়ে যাবে তা নির্ণয় কিভাবে করা যাবে?
আমরা জানি যে, দুইটি কারণে একাউন্ট স্বাভাবিক ভাবেই বন্ধ হয়ে যায়। যথা-
(ক)ইকুইটি কমে গেলে এবং
(খ)মার্জিন লেভেল ৩৫%(ব্রোকার ভেদে পার্থক্য হতে পারে) এর কম হলে একাউন্ট স্বাভাবিক ভাবেই বন্ধ হয়ে যায়।
(ক)ইকুইটি কমে গেলে একাউন্ট স্বাভাবিক ভাবেই বন্ধ হয়ে যায়, কিন্তু কত কমে গেলে একাউন্ট বন্ধ হবে তার কোন নির্দিষ্ট পরিমাণ স্থির করা নেই। এই পরিমাণ নির্ভর করে প্রযুক্ত ট্রেড এর উপর। যথা-
রহিম এর একটি একাউন্টে ১০০ ডলার ইকুইটি আছে, কিন্তু যে পরিমাণ ট্রেড দেওয়া আছে তাতে প্রতি পিপ নামলে ৬০ ডলার করে লোকসান হয়। তখন ১০০ ডলার ইকুইটি থাকা অবস্থায় ১ পিপ নামলে ৬০ ডলার কমে যাবে এবং আর কমে যাবার সুযোগ থাকবে না, কারন ইকুইটি ঋণাত্মক হতে পারে না।তাই ১০০ ডলার ইকুইটি থাকার পরে ২ পিপ নামলেই স্বাভাবিক ভাবেই একাউন্ট বন্ধ হয়ে যাবে।
কিন্তু এই পদ্ধতিতে এই হিসাব করা ভাল না। কারন- উভয় ক্ষেত্রেই দেখেছি ইকুইটি ১০০ থাকা সত্ত্বেও একটি একাউন্ট বন্ধ হল ১ পিপ নেমে, আবার অন্য একাউন্ট বন্ধ হল ৬ পিপ নেমে। একটি একাউন্ট ৪০ ডলার ব্যালেন্স থাকা সত্ত্বেও বন্ধ হয়ে গেল, আবার অন্য একাউন্টে ইকুইটি আরও কমলেও বন্ধ হল না। তাই ইকুইটি কত হলে একাউন্ট বন্ধ হবে তা স্থির করার জন্য বিকল্প পদ্ধতি অনুসরণ করা যেতে পারে।
(খ) মার্জিন লেভেল ৩৫% এর কম হলে একাউন্ট স্বাভাবিক ভাবেই বন্ধ হয়ে যায়। তাই আমরা প্রথমে লক্ষ্য করব যে প্রতি পিপ ওঠা-নামার কারণে মারজিন লেভেল কত কমে বা বাড়ে। মোট মার্জিন লেভেল থেকে ৩৫ বিয়োগ দিয়ে সেই সংখ্যা দিয়ে ভাগ করলে যে ফল পাওয়া যাবে সেই কয় পিপ নামলে/উঠলে একাউন্ট বন্ধ হয়ে যাবে। যেমন ধরি, একটি একাউন্টের মার্জিন লেভেল আছে ১৩৫%, প্রতি পিপ ওঠা/নামায় মার্জিন লেভেল ৪ করে কমে। তবে (১৩৫-৩৫)/৪=২৫। অর্থাৎ। ২৫ পিপ ট্রেড এর বিপরীতে গেলেই একাউন্ট বন্ধ হয়ে যাবে। এখানে উল্লেখ্য যে, ৩৫ বিয়োগ করতে হয়েছে, কারন মার্জিন লেভেল ৩৫% এর কম হলেই একাউন্ট বন্ধ হয়ে যাবে। অবশ্য এটি পিপেটিস ব্রোকার এর ক্ষেত্রে হিসাব করা কঠিন।
উপরোক্ত দুটি পদ্ধতিকে বিশ্লেষণ করলে আমরা এই সিদ্ধান্ত নিতে পারি যে, ‘ইকুইটি কত কমলে একাউন্ট বন্ধ হবে’ তার থেকে ‘কত পিপ ট্রেডের বিপরীতে গেলে ট্রেড বন্ধ হবে’ এই দুটি পদ্ধতির মধ্যে ২য় পদ্ধিতি বেশি সুবিধাজনক। পুনরায় কারণটি বলতে পারি, ‘ইকুইটি কত কমলে একাউন্ট বন্ধ হবে সেই পরিমাণটি স্থির নয়, কিন্তু মার্জিন লেভেল ৩৫% এর কম হলেই একাউন্ট বন্ধ হবে, এটা স্থির। তাই এই সুনির্দিষ্ট সংখ্যাটিকে নির্ভর করে হিসেব কষাই সহজবোধ্য পদ্ধতি।

Text Widget