ভ্রমন/পিকনিকের চাদাঁর পরিমানঃ ৩৮০০.০০ টাকা
২১.১২.২০১৪ ( রবি বার )|| যাত্রা শুরু সন্ধ্যা ৭ঃ০০ টা
২২.১২.২০১৪ ( সোম বার )|| জাফলং ( জিরো পয়েন্ট, পুঞ্জি ঝর্ণা, সংগ্রাম পুঞ্জি,পান গাছ সংযুক্ত সুপারি গাছের বাগান, আনারসের গাছ, নকশিয়ার পুঞ্জি, জমিদার বাড়ি, ঘন্টা, চা বাগান, রাজরাণী হোটেলে রাত্রী যাপন )
২৩.১২.২১০৪ ( মঙ্গল বার )|| রাতারগুল (সোয়াম্প ফরেস্ট), মালনি ছড়া চা বাগান, শাহ জালাল (রঃ) এর মাজার, শাহ পরাণ (রঃ) এর মাজার, রাজরাণী হোটেলে রাত্রী যাপন,
২৪.১২.২০১৪ ( বুধ বার )|| মৌলভী বাজার ( মাধবকুন্ড ইকো পার্ক, শ্রী শ্রী মাধবেশ্বর মহাদেবের মন্দির, মাধবকুন্ড ঝর্ণা, খাসিয়া উপজাতি ), চা কন্যা (TEA GIRL), সাতগাঁও চা বাগান (SATHGAO TEA ESTATE),
২৫.১২.২০১৪ ( বৃহঃ বার )|| বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারী পার্ক, গাজীপুর; মোমেনশাহী সেনানিবাস, নিরালা রেস্ট হাউস এ রাত্রী যাপন
২৬.১২.২০১৪ ( শুক্র বার )|| শের পুর ( মধু টিলা ইকো পার্ক/ MODHU TILA ECO PARK, রাবার বাগান, গারো উপজাতি ), বাড়ি ফিরলাম রাত ১১ঃ৩০ টায়।
দুষ্টামী করা আর গান গাওয়াঃ
আইলো দারুন ফাগুন রে লাগলো মনে আগুন রে
একা একা ভালো লাগে না
ও ও একা একা ভালো লাগে না।
বসন্তের ফুলের মেলায় ভ্রমর করে খেলা
আর তাইনা আমার মনে ধরে বড় জ্বালারে
একা একা ভালো লাগে না
ও ও একা একা ভালো লাগে না।
আরও দুষ্টামিঃ
১. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারী পার্ক, গাজীপুর এর ডিম কর্ণারে একটা মোরগ ১০ টি ডিম তা দিচ্ছিল। মোরগটি ছিলো সৈরাচারী। সে চাচ্ছিল ১০ টি ডিমের বাচ্ছাই মোরগ হবে। তারপর সে একটা কমিটি গঠন করবে এবং সে ওই কমিটির সভাপতি হবে।......................... হা হা হা । হা হা হা। হা হা হা ।
২. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারী পার্ক, গাজীপুর এর প্রজাপতি কর্ণারে.............(চলবে)
খাওয়াঃ
সকালেঃ পাউরুটি ও কলা দিয়ে নাস্তা
দুপুরেঃ খাসির মাংশ ও সবজিসহ ভাত
রাতেঃ ইলিস মাছ ও সবজিসহ ভাত।
সাব-টিমের সদস্যেদের নামঃ
১. হাবীব ( সাব-টিম লিডার )
২. শামীম ১ ( ওয়াল্টন শামীম )
৩. শামীম ২ ( লম্বু শামীম )
৪. ফিরোজ ( সাব-টিম অর্থ মন্ত্রী )
ভ্রমনের সর্বমোট খরচঃ ৬৩০০.০০ টাকা।
হঠাৎ একটা চিঠি পেলাম। চিঠিতে লেখা ছিল নিম্নরূপঃ
এতদ্বারা হোসেনাবাদ পিকনিক পার্টির সকল সদস্যবৃন্দকে জানানো যাচ্ছে যে, আগামী ২১/১২/২০১৪ ইং তারিখে সিলেট, গাজীপুর, ময়মনসিংহ ও শেরপুর ভ্রমনের জন্য রইল আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
২. বাচ্চাদের চাঁদার পরিমাণ ১০০০/= ( এক হাজার টাকা মাত্র )
৩. সকল সদস্যবৃন্দকে কমিটির কর্তৃপক্ষের নির্দেশ মেনে চলতে হবে।
৪. সকল সদস্যকে আই ডি কার্ড, প্লেট, গ্লাস, পানির বোতল ও নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সঙ্গে নিতে হবে।
৫. সকল সদস্যের আসন কমিটি কর্তৃক নির্ধারিত হবে।
৬. কোনো সদস্যের দূর্নীতি বুঝতে পারলে তাকে পিকনিক হতে সঙ্গে সঙ্গে বহিস্কার করা হবে।
৭. সকালের নাস্তা নিজ খরচে খেতে হবে।
৮. রান্নার সময় সকল সদস্য নিজ দায়িত্বে বাবুর্চীকে সহযোগীতা করবে।
৯. কোনো সময় আবহাওয়া জনিত কারণে বা অন্য কোনো কারণে রান্নার সমস্যা হলে নিজ খরচে হোটেলে খেতে হবে।
১০. কোনো পার্কের খরচ কমিটি বহন করবে না।
১১. নামাজের সময় হলে সকল সদস্যবৃন্দকে নামাজ আদায় করতে হবে।
যোগাযোগের ঠিকানাঃ অমিত গার্মেন্টস, প্রোঃ মোঃ আব্দুল হামিদ, হোসেনাবাদ বাজার, দৌলতপুর, কুষ্টিয়া। মোবাইলঃ ০১৭৪৫৪৫৩৩২৫
শুভেচ্ছান্তেঃ সভাপতি, ডাঃ মোঃ আব্দুল কুদ্দুস, সুরাতন হোমিও হল, হোসেনাবাদ বাজার, দৌলতপুর, কুষ্টিয়া। মোবাইলঃ ০১৭১৪৯৪৮৩৯৭
চিঠিটা পাওয়ার পর সিদ্ধান্ত স্থির করলাম পিকনিকে যাব। তাই চাঁদাটা দিয়ে দিলাম।
২. গোসলের জন্য মিনি শ্যাম্পু ৬ পিচ
৩. নামাজের জন্য টুপি ১ টি
৪. মাপলার ১ টি
৫. মুখে মাখা ক্রীম ১ কৌটা
৬. রেজার ১ টি
৭. ব্লেড ১ পিচ
৮. টুথ ব্রাশ ১ টি
৯. টুথ পেস্ট ১ টিউব
১০. চ্যাপিস্টিক ১ টি
১১. ছোট চিরুনি ১ টি
১২. ছোট আয়না ১ টি
১৩. গেঞ্জি ২ টি
১৪. শার্ট ৩ টি
১৫. সোয়েটার ১ টি
১৬. চাদর ১ টি
১৭. জাঞ্জিয়া ২ টি
১৮. প্যান্ট ৩ টি
১৯. কোমর বেল্ট ১ টি
২০. লুঙ্গি ১ টি
২১. মোজা ১ জোড়া
২২. জুতা ১ জোড়া
২৩. মোবাইল ফোন ১ টি
২৪. মেমোরি কার্ড ৪ জি পি ১ টি
২৫. নগদ অর্থ ৩০০০/=
২৬. কলম ১ টি
২৭. ডায়েরি ১ টি
২৮. হাত ঘড়ি ১ টি
২৯. রুমাল ১ টি
৩০. তোয়ালে ১ টি
৩১. বিস্কুট ২ প্যাকেট
পিকনিকের বিস্তারিত বিবরণঃ
(চলবে)
চা বাগান, রাজরাণী হোটেলে রাত্রী যাপন )
যেসব বিষয়গুলো খারাপ লেগেছিলঃ
১. পিকনিক স্পটে পৌঁছার পর কমিটি কর্তৃপক্ষ দর্শনীয় বিষয় সম্পর্কে কোনোরূপ দিক নির্দেশনা প্রদান করেনি।
২. এক আলেয়া মাদ্রাসার শিক্ষক কর্তৃক আমার আসন ছিনতাই হয়েছিল। তার আচরণ ছিলো রূক্ষ। এটা আমি কোনোদিন ভুলতে পারব না।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারী পার্ক, গাজীপুর এর গেইট প্রবেশ মূল্য ৫০/=
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারী পার্ক, গাজীপুর এর বাসে ভ্রমন মূল্য ১০০/=
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারী পার্ক, গাজীপুর এর ন্যাচার হিস্ট্রি মিউজিয়ামে প্রবেশ মুল্য ১০/=
পিকনিকের বিস্তারিত বিবরণ ধীরে ধীরে লেখা হবে।কেবল খসড়া চলছে।
২১.১২.২০১৪ ( রবি বার )|| যাত্রা শুরু সন্ধ্যা ৭ঃ০০ টা
২২.১২.২০১৪ ( সোম বার )|| জাফলং ( জিরো পয়েন্ট, পুঞ্জি ঝর্ণা, সংগ্রাম পুঞ্জি,পান গাছ সংযুক্ত সুপারি গাছের বাগান, আনারসের গাছ, নকশিয়ার পুঞ্জি, জমিদার বাড়ি, ঘন্টা, চা বাগান, রাজরাণী হোটেলে রাত্রী যাপন )
২৩.১২.২১০৪ ( মঙ্গল বার )|| রাতারগুল (সোয়াম্প ফরেস্ট), মালনি ছড়া চা বাগান, শাহ জালাল (রঃ) এর মাজার, শাহ পরাণ (রঃ) এর মাজার, রাজরাণী হোটেলে রাত্রী যাপন,
২৪.১২.২০১৪ ( বুধ বার )|| মৌলভী বাজার ( মাধবকুন্ড ইকো পার্ক, শ্রী শ্রী মাধবেশ্বর মহাদেবের মন্দির, মাধবকুন্ড ঝর্ণা, খাসিয়া উপজাতি ), চা কন্যা (TEA GIRL), সাতগাঁও চা বাগান (SATHGAO TEA ESTATE),
২৫.১২.২০১৪ ( বৃহঃ বার )|| বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারী পার্ক, গাজীপুর; মোমেনশাহী সেনানিবাস, নিরালা রেস্ট হাউস এ রাত্রী যাপন
২৬.১২.২০১৪ ( শুক্র বার )|| শের পুর ( মধু টিলা ইকো পার্ক/ MODHU TILA ECO PARK, রাবার বাগান, গারো উপজাতি ), বাড়ি ফিরলাম রাত ১১ঃ৩০ টায়।
দুষ্টামী করা আর গান গাওয়াঃ
আইলো দারুন ফাগুন রে লাগলো মনে আগুন রে
একা একা ভালো লাগে না
ও ও একা একা ভালো লাগে না।
বসন্তের ফুলের মেলায় ভ্রমর করে খেলা
আর তাইনা আমার মনে ধরে বড় জ্বালারে
একা একা ভালো লাগে না
ও ও একা একা ভালো লাগে না।
আরও দুষ্টামিঃ
১. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারী পার্ক, গাজীপুর এর ডিম কর্ণারে একটা মোরগ ১০ টি ডিম তা দিচ্ছিল। মোরগটি ছিলো সৈরাচারী। সে চাচ্ছিল ১০ টি ডিমের বাচ্ছাই মোরগ হবে। তারপর সে একটা কমিটি গঠন করবে এবং সে ওই কমিটির সভাপতি হবে।......................... হা হা হা । হা হা হা। হা হা হা ।
২. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারী পার্ক, গাজীপুর এর প্রজাপতি কর্ণারে.............(চলবে)
খাওয়াঃ
সকালেঃ পাউরুটি ও কলা দিয়ে নাস্তা
দুপুরেঃ খাসির মাংশ ও সবজিসহ ভাত
রাতেঃ ইলিস মাছ ও সবজিসহ ভাত।
সাব-টিমের সদস্যেদের নামঃ
১. হাবীব ( সাব-টিম লিডার )
২. শামীম ১ ( ওয়াল্টন শামীম )
৩. শামীম ২ ( লম্বু শামীম )
৪. ফিরোজ ( সাব-টিম অর্থ মন্ত্রী )
ভ্রমনের সর্বমোট খরচঃ ৬৩০০.০০ টাকা।
হঠাৎ একটা চিঠি পেলাম। চিঠিতে লেখা ছিল নিম্নরূপঃ
এতদ্বারা হোসেনাবাদ পিকনিক পার্টির সকল সদস্যবৃন্দকে জানানো যাচ্ছে যে, আগামী ২১/১২/২০১৪ ইং তারিখে সিলেট, গাজীপুর, ময়মনসিংহ ও শেরপুর ভ্রমনের জন্য রইল আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
সকল সদস্যের অবগতির জন্য ভ্রমনের নির্দেশাবলীঃ
১. নির্ধারিত চাঁদার পরিমাণ ৩৮০০/= ( তিন হাজার আটশত টাকা মাত্র )।২. বাচ্চাদের চাঁদার পরিমাণ ১০০০/= ( এক হাজার টাকা মাত্র )
৩. সকল সদস্যবৃন্দকে কমিটির কর্তৃপক্ষের নির্দেশ মেনে চলতে হবে।
৪. সকল সদস্যকে আই ডি কার্ড, প্লেট, গ্লাস, পানির বোতল ও নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সঙ্গে নিতে হবে।
৫. সকল সদস্যের আসন কমিটি কর্তৃক নির্ধারিত হবে।
৬. কোনো সদস্যের দূর্নীতি বুঝতে পারলে তাকে পিকনিক হতে সঙ্গে সঙ্গে বহিস্কার করা হবে।
৭. সকালের নাস্তা নিজ খরচে খেতে হবে।
৮. রান্নার সময় সকল সদস্য নিজ দায়িত্বে বাবুর্চীকে সহযোগীতা করবে।
৯. কোনো সময় আবহাওয়া জনিত কারণে বা অন্য কোনো কারণে রান্নার সমস্যা হলে নিজ খরচে হোটেলে খেতে হবে।
১০. কোনো পার্কের খরচ কমিটি বহন করবে না।
১১. নামাজের সময় হলে সকল সদস্যবৃন্দকে নামাজ আদায় করতে হবে।
যোগাযোগের ঠিকানাঃ অমিত গার্মেন্টস, প্রোঃ মোঃ আব্দুল হামিদ, হোসেনাবাদ বাজার, দৌলতপুর, কুষ্টিয়া। মোবাইলঃ ০১৭৪৫৪৫৩৩২৫
শুভেচ্ছান্তেঃ সভাপতি, ডাঃ মোঃ আব্দুল কুদ্দুস, সুরাতন হোমিও হল, হোসেনাবাদ বাজার, দৌলতপুর, কুষ্টিয়া। মোবাইলঃ ০১৭১৪৯৪৮৩৯৭
চিঠিটা পাওয়ার পর সিদ্ধান্ত স্থির করলাম পিকনিকে যাব। তাই চাঁদাটা দিয়ে দিলাম।
পিকনিকে যাওয়ার আগে প্রস্তুতিস্বরূপ যা যা নিলামঃ
১. ব্যাগ ১ টি২. গোসলের জন্য মিনি শ্যাম্পু ৬ পিচ
৩. নামাজের জন্য টুপি ১ টি
৪. মাপলার ১ টি
৫. মুখে মাখা ক্রীম ১ কৌটা
৬. রেজার ১ টি
৭. ব্লেড ১ পিচ
৮. টুথ ব্রাশ ১ টি
৯. টুথ পেস্ট ১ টিউব
১০. চ্যাপিস্টিক ১ টি
১১. ছোট চিরুনি ১ টি
১২. ছোট আয়না ১ টি
১৩. গেঞ্জি ২ টি
১৪. শার্ট ৩ টি
১৫. সোয়েটার ১ টি
১৬. চাদর ১ টি
১৭. জাঞ্জিয়া ২ টি
১৮. প্যান্ট ৩ টি
১৯. কোমর বেল্ট ১ টি
২০. লুঙ্গি ১ টি
২১. মোজা ১ জোড়া
২২. জুতা ১ জোড়া
২৩. মোবাইল ফোন ১ টি
২৪. মেমোরি কার্ড ৪ জি পি ১ টি
২৫. নগদ অর্থ ৩০০০/=
২৬. কলম ১ টি
২৭. ডায়েরি ১ টি
২৮. হাত ঘড়ি ১ টি
২৯. রুমাল ১ টি
৩০. তোয়ালে ১ টি
৩১. বিস্কুট ২ প্যাকেট
পিকনিকের বিস্তারিত বিবরণঃ
২১.১২.২০১৪ ( রবি বার )|| যাত্রা শুরু করলাম সন্ধ্যা ৭ঃ০০ টায়। কিছু সময় পর আমাদের গাড়ি ভেড়ামারা ( কুষ্টিয়া জেলার একটি উপাজেলা শহর ) গিয়ে পৌঁছল। হঠাৎ কে যেন বলল রান্না করার চুলাটা নিয়ে আসা হয়নি। গাড়ি থামানো হলো। সভাপতি সাহেব সিদ্ধান্ত নিল; যেহেতু আমরা ১৫ কিলোমিটারেরও অধিক দুরুত্ব চলে এসেছি, তাই আমাদের আর পেছনে গিয়ে চুলা আনার দরকার নাই। ইট দিয়ে চুলা তৈরি করে নিলেই চলবে। আবার যাত্রা শুরু হলো। ঘন্টা দুইয়েক পর আমাদের গাড়ি সিরাজগঞ্জ জেলার হাইওয়ের পাশের হোটেল গুলোর সামনে পৌঁছল। সভাপতি সাহেব জানালো, আপনাদের কারও খাওয়ার দরকার হলে এই হোটেলগুলোতে খেয়ে নিতে পারেন। সময় মাত্র ২০ মিনিট। যে যা পারল ঐ সময়ের মধ্যে খেয়ে নিলো। গাড়ি আবার চলা শুরু করলো। পরবর্তী দিন ঠিক সকাল ৭ঃ৩০ টার সময় আমাদের গাড়ি সিলেট জেলার জাফলং গিয়ে পৌঁছল।
২২.১২.২০১৪ ( সোম বার )|| জাফলং পৌঁছানোর পর রান্না বান্নার লোকজন গাড়ি থেকে রান্না করার জিনিসপত্র নামাতে লাগলো। আমরা এখন কি করব এ ব্যাপারে কোনরূপ দিকনির্দেশনা কেউ দিলো না। তাই আমি নিজে থেকে সভাপতিকে জিজ্ঞাসা করে নিলাম এখানে দেখার মতো কি কি আছে। সভাপতি সাহেব আঙুল তুলে আমাকে কিছু দিক নির্দেশনা দিল। সিদ্ধান্ত নিলাম সে অনুযায়ী বেড়াবো। কিন্তু তার আগে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেওয়া দরকার। পিকনিক কর্ণারের পায়খানায় ১০.০০ টাকা দিয়ে পায়খানা করার কাজটা সেরে নিলাম। অবশ্য প্রসাব করার ভিসিট এখানে ৫.০০ টাকা।
এরপর শুরু হলো ঘোরার পালা। প্রথমে আমরা প্রতিজন ২০.০০ টাকা হিসেবে নৌকা ভাড়া করে জিরো পয়েন্ট এ গিয়ে পৌঁছলাম। দেখলাম সেখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। পায়ের নিচে ছোট বড় রঙ বেরঙ্গের পাথর। পাথরের উপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে স্বচ্ছ জলধারা। এ জলধারাতে পা ডুবাতে যে কি মজা লাগছে তা কেউ সেখানে না গেলে তাকে বোঝানো মুশকিল। অদূরে দেখা যাচ্ছে ভারতের পুঞ্জিঝর্না, ঝুলন্ত ব্রীজ ও মেঘালয় রাজ্যের পাহাড় সমূহ। পুঞ্জিঝর্নাতে জলধারা প্রবাহিত হচ্ছিলো না। জানতে পারলাম ভরা বর্ষায় পুঞ্জিঝর্না থেকে জলধারা প্রবাহিত হয়। শুরু হলো সেলফি ও ছবি তোলার পালা। ছবি তোলা শেষে আমরা সেখান থেকে বালির উপর দিয়ে হেঁটে খাসিয়া রাজবাড়ির দিকে চললাম। বালি থেকে উঠে সরু পিচ রাস্তা হয়ে আমরা পান-সুপারি গাছের বাগানের মধ্যে দিয়ে যাওয়া শুরু করলাম। মাঝে মাঝে আমরা ছবিও তুললাম। বাগানের মাঝে আমরা সুপারি গাছ সংলগ্ন পান গাছ দেখলাম। তার মাঝে আমরা দু'একটি আনারস গাছ ও দেখতে পেলাম। হাঁটতে হাঁটতে আমরা প্রথমে যে গ্রামটিতে পৌঁছলাম সে গ্রামটির নাম ছিল সংগ্রাম পুঞ্জি। সে গ্রামে বসবাসরত খাসিয়াদের দেখলাম। সাথে সাথে তাদের বাড়িঘর ও দেখলাম। খাসিয়াদের অনুমতি নিয়ে আমরা কিছু ছবি ও তুললাম। গ্রামটির মাঝে রাস্তার মোড়ে কয়েকটি দোকান ও দেখলাম। যেখানে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র পাওয়া যায়। আবার হাঁটা শুরু করলাম। পথিমধ্যে রাস্তার বামপাশে একটি গীর্জা দেখতে পেলাম। হেঁটেই চললাম। উদ্দেশ্য খাসিয়া রাজবাড়ি দেখা। হাঁটতে হাঁটতে এক সময় আমরা পৌঁছে গেলাম নকশিয়ার পুঞ্জি গ্রামের খাসিয়া রাজবাড়ি। এ রাজবাড়ি আসলে রাজা-বাদশাদের রাজবাড়ির মত নয়। তাদের ঐতিহ্যবাহী এক রকমের বাড়ি। দোতলা বাড়ির মতো। নিচতলা অবশ্য ফাঁকা। নিচতলায় শুধু কংক্রিটের পিলার। দ্বিতীয় তলার উপর টিনের ছাউনি। অদুরেই দেখতে পেলাম তাদের ঐতিহ্যবাহী ঘন্টা।
(চলবে)
চা বাগান, রাজরাণী হোটেলে রাত্রী যাপন )
যেসব বিষয়গুলো খারাপ লেগেছিলঃ
১. পিকনিক স্পটে পৌঁছার পর কমিটি কর্তৃপক্ষ দর্শনীয় বিষয় সম্পর্কে কোনোরূপ দিক নির্দেশনা প্রদান করেনি।
২. এক আলেয়া মাদ্রাসার শিক্ষক কর্তৃক আমার আসন ছিনতাই হয়েছিল। তার আচরণ ছিলো রূক্ষ। এটা আমি কোনোদিন ভুলতে পারব না।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারী পার্ক, গাজীপুর এর গেইট প্রবেশ মূল্য ৫০/=
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারী পার্ক, গাজীপুর এর বাসে ভ্রমন মূল্য ১০০/=
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারী পার্ক, গাজীপুর এর ন্যাচার হিস্ট্রি মিউজিয়ামে প্রবেশ মুল্য ১০/=
পিকনিকের বিস্তারিত বিবরণ ধীরে ধীরে লেখা হবে।কেবল খসড়া চলছে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন