* গ্রাম্য এলাকা। ছোট্ট শিশু
আব্বু/আম্মুর কাছে বায়না ধরেছে মিষ্টি খাবে। এখানে মিষ্টি বলতে যে মিষ্টিই
বোঝাচ্ছে তা কিন্তু নয়। মিষ্টি না পাওয়া গেলে গ্রামের দোকানে শিশু খাদ্য হিসেবে যা
পাওয়া যায় তা কিনে দিলেই চলবে। এক কথায় শিশুটি চায় যে তার বাবা/মা বায়না বাবদ নিকটবর্তী
কোনো দোকান থেকে শিশু খাদ্য তালিকার অন্তর্ভূক্ত কোনো একটা খাদ্য কিনে দিক। তারপর
শিশুটিকে নিকটবর্তী দোকান থেকে মিষ্টি (খুরমা/ খাগড়াই/ মিষ্টি সিংগাড়া/ বুন্দিয়ার
লাড়ু/ বাতাসা/ সন্দেশ)/ কলা/ কেক/ চিপস/ মুড়ি/ চানাচুর/ বিস্কুট কিনে দেওয়া হলো।
শিশুটি মিষ্টি পেয়ে খুশি হলো। এমন ঘটনা যে গ্রামেই ঘটে তা কিন্তু নয়। শহরেও ঘটে।
** অনেক দূরে
বেড়াতে যাওয়া হলো। পথিমধ্যে বিশ্রামের উদ্দেশ্যে একটা দোকানে বসা হলো। একটু
ক্ষিধেও দেখা দিয়েছে। তাই হালকা কিছু খেয়ে পানি পান করা হলো। এখানেও হালকা কিছু
খাওয়া বলতে কিন্তু খুরমা/ খাগড়াই/ মিষ্টি সিংগাড়া/ লাড়ু/ বাতাসা/ সন্দেশ / কলা/
কেক/ চিপস/ মুড়ি/ চানাচুর/ বিস্কুট ইত্যাদি খাওয়াকেই বুঝায়।
উপরের দুইটার মত অনেক গল্প কিন্তু আমাদের জানা আছে। আমি আসলে আপনাদের গল্প বলতে চাচ্ছি না। বলতে চাচ্ছি এসব খাবারের মধ্যে কেকটি কিন্তু বেশ জনপ্রিয়। আর আপনি চাইলে নিজ বাড়িতেই এই কেক তৈরি করতে পারেন। এটি কিভাবে তৈরি করা যায় তা আজ আপনারা জেনে নিন।
কেক তৈরি
প্রয়োজনীয় উপকরণ :
১. ০৪ টি ডিম
২. ০১ কাপ আটা
৩. ০১ কাপ চিনি
৪. ০১ কাপ সয়াবিন তেল
৫. ০১ কাপ গুড়া দুধ
৬. ০২ চামচ বেকিং পাউডার
৭. সামান্য দারুচিনি ও কয়েকটি এলাচি
ও ৮. সামান্য লেবুর রস।
কার্য প্রণালী : নির্দিষ্ট পরিমাণ ডিম , আটা , চিনি ,সয়াবিন তেল , গুড়া দুধ, বেকিং পাউডার, দারুচিনি, এলাচি বীজ ও লেবুর রস একত্রে ভালো ভাবে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন । তারপর পেস্টটুকু একটি তৈলাক্ত কাগজে রেখে একটি পাত্রের মাঝে বসিয়ে দিন। অত:পর পাত্রের ঢাকনা আটকে দিন। তারপর পাত্রটি একটি চুলার উপর বসিয়ে দিয়ে ধীরে ধীরে তাপ দিন। ৫ মিনিট পর পাত্রটি চুলার উপর থেকে নামিয়ে ফেলুন। ব্যাস কেক তৈরি হয়ে গেল। এবার ইচ্ছেমত পরিবেশন করুন।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন