আমার হাজবেন্ড এর ফ্রেন্ড অসুস্থ। তাকে তিনি দেখতে যাবেন। ভাগ্যক্রমে আমি ও তার সাথী হলাম। চললাম দুজনে কুষ্টিয়া শহরের আদ-দ্বীন হাসপাতালের পথে। মজমপুর গেটে বাস থামল। বাস থেকে নেমে ১৫ টাকায় রিক্সা ভাড়া করে পোঁছে গেলাম আদ-দ্বীন হাসপাতালের গেটে । গেটে পোঁছে লক্ষ্য করলাম সকলে গেট সংলগ্ন একটি কক্ষের মাঝে পাদুকা রাখছে , আর পাদুকা কক্ষ নিয়ন্ত্রণকারী ম্যাডাম একটি করে টোকেন পাদুকার মালিককে দিচ্ছে। তার মানে টোকেন ফেরত দিলেই পাদুকা কক্ষ নিয়ন্ত্রণকারী ম্যাডাম সঠিক মালিককে পাদুকা ফেরত দিবেন। ঘটনাটি মুহূর্তের মাঝেই বুঝে ফেললাম।
কি আর করা আমরাও নিজেদের পাদুকা ঐ ম্যাডামকে দিয়ে টোকেন নিলাম। আমার টোকেনটি আমি আমার পার্সে রাখলাম। আমার হাজবেন্ড তার টোকেনটি হেফাজত করার জন্য পকেটে যত্ন করে রাখলেন। বিষয়টি দেখে আমার হাসি পেয়ে গেল। হাজবেন্ড হাসির কারণ জানতে চাইলেন। আমি বিষয়টি চেপে যাবার চেষ্টা করলাম। পারলাম না। হাসিটা আরও জোরালো ভাবে উকি দিল। হাজবেন্ড পুনরায় হাসির কারণ জানতে চাইল। আমি এবার ভীষণ জোরে হা হা করে হেসে উঠলাম। বললাম , জুতো তাহলে এখন তোমার পকেটে। কথাটা শুনে হাজবেন্ডও না হেসে পারলেন না।
কি আর করা আমরাও নিজেদের পাদুকা ঐ ম্যাডামকে দিয়ে টোকেন নিলাম। আমার টোকেনটি আমি আমার পার্সে রাখলাম। আমার হাজবেন্ড তার টোকেনটি হেফাজত করার জন্য পকেটে যত্ন করে রাখলেন। বিষয়টি দেখে আমার হাসি পেয়ে গেল। হাজবেন্ড হাসির কারণ জানতে চাইলেন। আমি বিষয়টি চেপে যাবার চেষ্টা করলাম। পারলাম না। হাসিটা আরও জোরালো ভাবে উকি দিল। হাজবেন্ড পুনরায় হাসির কারণ জানতে চাইল। আমি এবার ভীষণ জোরে হা হা করে হেসে উঠলাম। বললাম , জুতো তাহলে এখন তোমার পকেটে। কথাটা শুনে হাজবেন্ডও না হেসে পারলেন না।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন