সকালে উঠে হাড়ি-কুড়ি নিয়ে নলকূপের নিকটে পৌঁছলাম। জোগাড় করে নিলাম কিছু মিহি ছাই এবং ভিম বার। উদ্দেশ্য হাড়ি-কুড়ি গুলো মাজা। তাই দেরি না করে শুরু করে দিলাম ঘষা-মাজার কাজ। একটা পুরাতন কাঁসার চামচ মাজার উদ্দেশ্যে ঘষা দিতেই হাজির হলো চামচের দৈত্য (spoon giant)।
বলল, ম্যাডাম আপনি অনুমতি দিলে বাকি কাজগুলো আমি করে দিব।
আমি বললাম, বাকি কাজগুলো আমি একাই করে নিতে পারব।
চামচের দৈত্য পুনরায় বলল, কোন প্রয়োজনীয় জিনিস পত্র এনে দেওয়া লাগবে কি?
আমি বললাম, না, লাগবে না। তুমি বল, কুষ্টিয়া জেলায় দেখার মত কি কি আছে?
চামচের দৈত্য জবাব দিল, মাড্যাম, আমি
কুষ্টিয়া জেলা দেখে এসে তার পর জবাব দিচ্ছি। তাই বলে চলে গেল।
কিছুক্ষণ পর চামচের দৈত্য ফিরে এলো। বলল, লালন শাহ'র মাজার, রবি ঠাকুরের কুঠিবাড়ি, গড়াই নদীর 'টি' বাঁধ, লালন শাহ সেতু, হার্ডিঞ্জ ব্রিজ, রায়টার পাথর ঘাটা ইত্যাদি। আপনি যদি বলেন তো আমি আপনাকে আজ এগুলো দেখিয়ে নিয়ে আসব।
আমার বেড়ানোর মত যথেষ্ট সময় নাই। তুমি যদি ভিডিও করে আনো তাহলে আমি অবসর সময়ে তা দেখে নিব।
ম্যাডাম তাহলে আমি চললাম ভিডিও করার জন্য।
কিছুক্ষণ পর চামচের দৈত্য ফিরে এল। একটা মেমোরি কার্ড দিয়ে বলল, এই নিন ম্যাডাম এখানে কুষ্টিয়া জেলায় দেখার মত সকল জায়গা রেকর্ড করা আছে।
ধন্যবাদ দিলাম চামচের দৈত্যকে। চামচের দৈত্য চলে গেল।
রাতে যখন অবসর পেলাম তখন দেখে নিলাম কুষ্টিয়া জেলার দর্শণীয় সকল স্থান। এভাবেই আমার পৃথিবীটাকে দেখা।
ম্যাডাম তাহলে আমি চললাম ভিডিও করার জন্য।
কিছুক্ষণ পর চামচের দৈত্য ফিরে এল। একটা মেমোরি কার্ড দিয়ে বলল, এই নিন ম্যাডাম এখানে কুষ্টিয়া জেলায় দেখার মত সকল জায়গা রেকর্ড করা আছে।
ধন্যবাদ দিলাম চামচের দৈত্যকে। চামচের দৈত্য চলে গেল।
রাতে যখন অবসর পেলাম তখন দেখে নিলাম কুষ্টিয়া জেলার দর্শণীয় সকল স্থান। এভাবেই আমার পৃথিবীটাকে দেখা।
আমি একজন সাধারণ মেয়ে। সবাই জানে। বুকের মাঝে অনেক আশা , আমি একদিন অনেক বড় হব। সবাই অবাক হয়ে দেখবে যে ঐ সাধারণ মেয়েটা আজ এত জনপ্রিয় হয়ে গেছে! যত দিন না আমি সেই পর্যন্ত যেতে পারছি ততদিন আমি কঠোর পরিশ্রম করে যাব। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন